লিওনেল মেসির জোড়া গোল ও একটি সহায়তায় দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে সিনসিনাটিকে ৫-৩ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। বুধবারের এই জয়ে টানা সপ্তমবারের মতো প্রতিপক্ষের মাঠে জয় তুলে নিল দলটি।
চলতি মৌসুমে এটি তৃতীয়বার, যখন এক ম্যাচে অন্তত তিনটি গোলে সরাসরি অবদান রাখলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। লিগে এখন তার গোলসংখ্যা ১২।
ম্যাচের ২৪তম মিনিটে এগিয়ে যায় মায়ামি। সিনসিনাটির ম্যাট মিয়াজগার গায়ে লেগে দিক বদলানো শট জালে পাঠান মেসি। তবে ৪১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান কেভিন ডেনকি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৯তম মিনিটে পাভেল বুচার গোলে এগিয়ে যায় সিনসিনাটি। কিন্তু মাত্র ছয় মিনিট পর লুইস সুয়ারেসের পাস থেকে দারুণ ফিনিশে ম্যাচ ২-২ করেন মেসি।
এরপর ৬৪তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে আবারও সিনসিনাটিকে এগিয়ে দেন এভান্দার। তবে সেখান থেকেই শুরু হয় মায়ামির দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন।
বদলি হিসেবে নামা মাতেও সিলভেত্তি ৭৯তম মিনিটে গোল করে সমতা ফেরান। এরপর ৮৪তম মিনিটে সেট পিস থেকে আসে ম্যাচের মোড় ঘোরানো গোল। সিনসিনাটির আন্দ্রেই চিরিলা নিজেদের গোলরক্ষক রোমান সেলেন্তানোর সঙ্গে ধাক্কা খেলে ফাঁকা জাল পেয়ে যান জার্মান বেরতেরামে, সহজেই বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
৮৯তম মিনিটে মেসির শট পোস্টে লেগে গোলরক্ষকের গায়ে প্রতিফলিত হয়ে জালে জড়ায়। শুরুতে সেটি মেসির হ্যাটট্রিক গোল হিসেবে ধরা হলেও পরে আত্মঘাতী গোল হিসেবে সংশোধন করা হয়। গোলটি মেসির নামেই থাকলে সেটি হতো ক্যারিয়ারের ৬১তম হ্যাটট্রিক।
ম্যাচ শেষে ইন্টার মায়ামির কোচ গিয়ের্মো ওইয়োস বলেন, ‘লিওকে নিয়ে কথা বলাই বিশেষ কিছু। মানুষ হিসেবে তিনি যেমন অসাধারণ, মাঠের খেলোয়াড় হিসেবেও তেমন অনন্য। মেসি, রদ্রিগো দে পল ও লুইস সুয়ারেসের মতো খেলোয়াড়েরা এই লিগের মান বাড়িয়ে দিচ্ছে। কঠিন মাঠে শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আজ তারা যা করেছে, তা ছিল অসাধারণ।’