26.5 C
Bangladesh
May 16, 2026
Post Bangla

ইরানের দাবি- জব্দ অর্থ ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র, অস্বীকার ওয়াশিংটনের

ইরানের একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র শনিবার জানিয়েছে, কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে আটক থাকা ইরানের সম্পদ ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে।ইসলামাবাদে চলমান আলোচনায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এটিকে ‘গুরুত্বপূঅঅর্ণ অগ্রগতির ইঙ্গিত’ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে তেহরান।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া বক্তব্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইরানি সূত্র বলেন, ইসলামাবাদে চলমান আলোচনায় সমঝোতায় পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংবেদনশীলতার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্র রয়টার্সকে জানায়, এই সম্পদ ছাড়ের বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার সঙ্গে যুক্ত, যা আলোচনার একটি প্রধান ইস্যু হতে যাচ্ছে।https://youtu.be/vUCHaoEZTno?si=tXmWGhGPB4iP0lHG

এই সম্পদের মোট পরিমাণ সম্পর্কে প্রথম সূত্রটি কিছু জানায়নি।

তবে আরেকটি ইরানি সূত্র দাবি করেছে, কাতারে রাখা ইরানের প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে।এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
আট বছর আগে জব্দ করা অর্থ
প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের এই অর্থ প্রথমে ২০১৮ সালে জব্দ করা হয়।

২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে তা ছাড় দেওয়ার কথা ছিল।কিন্তু ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন আবারও এই অর্থ স্থগিত করে।সেসময় মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, ইরান এই অর্থ ভবিষ্যতে ব্যবহার করতে পারবে না এবং প্রয়োজনে পুরো অর্থ আবারও পুরোপুরি জব্দ করার অধিকার ওয়াশিংটনের রয়েছে।

অর্থের উৎস
এই অর্থ এসেছে দক্ষিণ কোরিয়ায় ইরানের তেল বিক্রি থেকে।

২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে এই অর্থ আটকে যায়। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বশক্তিগুলোর সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক চুক্তিও বাতিল করেন।

বন্দি বিনিময় ও শর্ত
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে এই অর্থ কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়।

এই চুক্তির আওতায় ইরানে আটক পাঁচজন মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রে আটক পাঁচজন ইরানিকেও মুক্তি দেওয়া হয় এবং অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়।

তখন যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এই অর্থ কেবল মানবিক কাজে ব্যবহার করা যাবে। যেমন খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কৃষিপণ্য কেনার জন্য এবং তা মার্কিন ট্রেজারির তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট সরবরাহকারীদের মাধ্যমে ব্যয় করা হবে।

সূত্র: রয়টার্স

Related posts

ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে সই করতে পাকিস্তান যেতে পারেন ট্রাম্প

bangladmin

আপিলেও বাতিল মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র

bangladmin

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির বিষয়ে নতুন ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

bangladmin

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি অনেক ‘দূরে’: ইরান

bangladmin

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন বৈঠক নিয়ে কোনো তথ্য নেই, জানাল ইরান

bangladmin

ইরানে বিমান বিধ্বংসী অত্যাধুনিক অস্ত্র পাঠাচ্ছে চীন

bangladmin